২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ার উত্তাল সমুদ্রে বাংলাদেশের জয়গান

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার উত্তাল সমুদ্রে বাংলাদেশের জয়গান

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সার্ফিংয়ের আঙিনায় লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে আলোচনায় এসেছেন কক্সবাজারের উদীয়মান সার্ফার ইউনুস হোসেন।

Manual1 Ad Code

মালয়েশিয়ার টিওমান দ্বীপে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘টিওমান সারফেস্ট ২০২৬’-এ বিশ্বের বাঘা বাঘা সার্ফারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নজর কেড়েছেন এই বাংলাদেশি তরুণ।

গত ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি টিওমান দ্বীপের কামপুং জুয়ারা সমুদ্রসৈকতে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র আর বিশালাকার ঢেউয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ইউনুস হোসেন কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত নিজের দাপট বজায় রাখেন।

Manual5 Ad Code

২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে তিনি সেমিফাইনালের এলিমিনেশন রাউন্ডে পৌঁছান। তবে শেষ মুহূর্তে সামান্য পয়েন্টের ব্যবধানে চূড়ান্ত জয় থেকে বঞ্চিত হন তিনি।

Manual3 Ad Code

ফলাফল পক্ষে না এলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি এই সার্ফিং যোদ্ধা।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইউনুস বলেন, প্রতিযোগিতার আকার যাই হোক, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের দেশের পতাকা তুলে ধরতে পারাটাই আমার বড় পাওয়া। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করে দেশের মুখে হাসি ফোটাবো।

তিনি তার এই যাত্রায় শুরু থেকে পাশে থাকার জন্য কক্সবাজার সার্ফিং কমিউনিটির প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। টিওমান ওজি হিশাম উয়ুবের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় জুয়ারা বিচ ও মেনতাওয়াক পয়েন্টের মতো কঠিন সব স্পটে ঢেউয়ের উচ্চতা ও গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করা ছিল বেশ দুঃসাধ্য।

এমন প্রতিকূল পরিবেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধির এই পারফরম্যান্স আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সার্ফিংয়ের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

Manual2 Ad Code

কক্সবাজারের ঢেউয়ে বেড়ে ওঠা ইউনুস হোসেন প্রমাণ করেছেন, সঠিক সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাংলাদেশের সার্ফাররা বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। যদিও এবার ভাগ্য কিছুটা প্রতিকূলে ছিল, তবে তার এই লড়াকু মানসিকতা দেশের আগামী দিনের সার্ফারদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code