২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদোর ৩৯ বছর বয়সি ইউরোজয়ী সতীর্থ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ণ
অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদোর ৩৯ বছর বয়সি ইউরোজয়ী সতীর্থ

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

বয়স ৩৯ হওয়ার আগে অনেকে খেলাই ছেড়ে দেন। ছেড়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এক সময়ের জাতীয় দলের সতীর্থ ন্যানিও। তিনি ২০২৪ সালে ৩৮ বছর বয়সে অবসরে গিয়েছিলেন। এবার এশিয়ায় খেলতে ৩৯ বছর বয়সে অবসর ভাঙলেন।
ন্যানি এক বছরের চুক্তি করেছেন।

Manual8 Ad Code

ন্যানি কাজাখস্তানি ক্লাব এফসি আকতোবে নাম লিখিয়েছেন। দুই পক্ষের এক বছরের চুক্তি হয়েছে। তাকে দেওয়া হয়েছে ক্লাবের একটি বাড়তি দায়িত্বও।

Manual1 Ad Code

চুক্তি করে পর্তুগিজ তারকা বলেছেন, ‘এফসি আকতোবে যোগ দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং ক্লাবের পাশাপাশি কাজাখস্তানের ফুটবলের উন্নয়নে অবদান রাখতে আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি।’

ন্যানি ২০০৫ সালে স্পোর্টিং সিপি দিয়ে সিনিয়র ক্যারিয়ারের যাত্রা শুরু করেছিলেন। অবসর নেন নিজ শহরের ক্লাব আমাদোরায় খেলা অবস্থায়। মাঝে খেলেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ফেনারবেচ, ভ্যালেন্সিয়া, ল্যাজিওর মতো দলগুলোর হয়ে। সব মিলিয়ে ৬১৬ ম্যাচে ১২৮ গোল ও ১৪৫ অ্যাসিস্ট করেছেন।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০০৮ সালের ফাইনালে চেলসিকে হারিয়ে সবশেষ যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগটি জিতে, ন্যানি ওই ফাইনালের সদস্য।

ওয়েইন রুনির বদলি হিসেবে অতিরিক্ত সময়ে তাকে নামিয়েছিলেন তৎকালীন কোচ আলেক্স ফার্গুসন। মূল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে গুরুত্বপূর্ণ একটি গোল করেছিলেন তিনি।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ছাড়াও ৪টি প্রিমিয়ার লিগ, ৪টি কমিউনিটি শিল্প, দুটি এফএ কাপ ও একটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ন্যানি, তখন ইউনাইটেডের স্বর্ণযুগ চলছিল বটে!

পর্তুগালের হয়েও দারুণ সুখস্মৃতি আছে ন্যানির। ২০১৬ সালে ইউরোর সেমিফাইনালেসহ ৩টি গোল করেছিলেন। ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগাল। যা তাদের প্রথম কোনো ট্রফি।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code