২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাফাহ ক্রসিং খোলা নিয়ে যা বলল ইসরাইল

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ণ
রাফাহ ক্রসিং খোলা নিয়ে যা বলল ইসরাইল

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালু নিয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

Manual3 Ad Code

বৈঠকে রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালুর জন্য নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানানো হয়। তবে, শেষ মৃত ইসরাইলি বন্দির মরদেহ হস্তান্তর ও হামাস নিরস্ত্রীকরণের ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে তেল আবিব।
রাফাহ সীমান্ত।

স্থানীয় সময় রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরাইল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবশিষ্ট শেষ ইসরাইলি বন্দির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শেষ হলে গাজার রাফাহ সীমান্ত সীমিত আকারে পুনরায় খুলে দেয়া হবে।

Manual8 Ad Code

নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির শুরুতেই রাফাহ সীমান্ত খুলে দেয়ার কথা ছিল। এখন সেটি শুধু মানুষের যাতায়াতের জন্য খুলে দেয়া হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সব জীবিত বন্দিকে ফিরিয়ে আনা এবং মৃত বন্দিদের খুঁজে বের করে ফেরত দিতে হামাসকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে-এই শর্তে সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে।

Manual2 Ad Code

যুদ্ধবিরতি শর্ত অনুযায়ী হামাস এরইমধ্যে সব জীবিত ও একজন (পুলিশ কর্মকর্তা র‍্যান গিভিলি) মৃত জিম্মির মরদেহ ছাড়া সব ফেরত দিয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রোববার উত্তর গাজার একটি স্থানে র‍্যান গিভিলির খোঁজে অভিযান চালিয়েছে। ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তা বলছেন, গিভিলির সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তাদের কাছে ‘বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সূত্র’ রয়েছে।

রোববার হামাস জানায়, তারা ‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে’ ইসরাইলি সেনার মরদেহের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী মেনে চলেছে’।

হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র বলেন, বিষয়টি (বন্দির মরদেহ) দ্রুত শেষ করতে হামাস সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটা নিয়ে দেরি করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।

এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় ইসরাইলি হামলা এখনো থামেনি। প্রতিনিয়তই প্রাণ হারাতে হচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় সময় রোববার গাজার বেশ কয়েকটি জায়গায় হামলা চালায় নেতানিয়াহু বাহিনী। আল জাজিরা জানায়, গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে একটি চিকিৎসা স্থাপনার পাশে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সেনারা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৮১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code