২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পাকিস্তানে তুষারপাত ভূমিধসের সতর্কতা জারি, পর্যটকদের ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানে তুষারপাত ভূমিধসের সতর্কতা জারি, পর্যটকদের ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

পাকিস্তানের কোনো কোনো অংশে ভারী তুষারপাত হয়েছে। এ কারণে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) ২৬ থেকে ২৭ জানুয়ারী দেশের উপরের অংশে রাস্তা বন্ধ এবং ভূমিধসের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছে।
২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ তারিখে অ্যাবোটাবাদের গালিয়াত এলাকায় ভারী তুষারপাতের পর তুষারাবৃত এলাকার একটি মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

এক বিবৃতিতে, আবহাওয়া অফিস বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে, ভারী তুষারপাতের কারণে নারান, কাঘান, দির, সোয়াত, কালাম, চিত্রাল, কোহিস্তান, মানসেহরা, অ্যাবোটাবাদ, শাংলাসহ উপরের অংশের রাস্তা বন্ধ বা পিচ্ছিল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

Manual6 Ad Code

এতে আরও সতর্ক করা হয় যে ‘এই সময়কালে খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান এবং কাশ্মীরের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধস, তুষারধসের উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, পিএমডি পর্যটকদের আগামী দুই দিন অতিরিক্ত সতর্ক থাকার এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে পরামর্শ দিয়েছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদমাধ্যম জানায়, ভারী তুষারপাত এবং ভূমিধসের কারণে কেপি, বেলুচিস্তান, জিবি এবং আজাদ কাশ্মীর (এজেকে) জুড়ে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। সেখানকার রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে, যাত্রীরা আটকা পড়েছেন এবং হিমায়িত তাপমাত্রার মধ্যে বিদ্যুৎ ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর আগে শুক্রবার, চিত্রালে তুষারপাতের কারণে একটি পরিবারের অন্তত নয়জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code