২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন-রাশিয়া বৈঠক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ণ
সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন-রাশিয়া বৈঠক

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আবুধাবিতে ইউক্রেন–রাশিয়ার দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ হয়েছে কোনো চুক্তি ছাড়াই। তবে উভয় পক্ষই আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে এবং নতুন বৈঠকের সম্ভাবনার কথা বলেছে।

Manual8 Ad Code

শুক্রবার ও শনিবার (২৩ ও ২৪ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত হয় তিন পক্ষের শান্তি আলোচনা।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার ও শনিবার (২৩ ও ২৪ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত হয় তিন পক্ষের শান্তি আলোচনা। রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে মুখোমুখি কথা হয়েছে বলে জানায় সংযুক্ত আরব আমিরাত।

দেশটির সরকারের একজন মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শান্তি কাঠামোর মূল উপাদানগুলো বৈঠকে প্রাধান্য পেয়েছে। পরিবেশ ছিল ইতিবাচক ও গঠনমূলক। তবে, কেন্দ্রবিন্দু ছিল যুদ্ধ শেষ করার সম্ভাব্য শর্ত, দনবাসের বিতর্কিত অঞ্চলগুলোর ভবিষ্যৎ এবং ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার জন্য কিছু ‘সম্ভাব্য কাঠামো’ প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধ শেষ করার শর্ত এবং সেই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা।

এছাড়াও, দুই পক্ষ প্রস্তুত থাকলে আগামী সপ্তাহেই আরেকটি বৈঠকের সম্ভাবনার কথা জানান তিনি। ইউক্রেন আলোচনায় এগোতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন। একই সুরে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কোও ভবিষ্যৎ আলোচনায় অংশ নিতে রাজি।

Manual6 Ad Code

আলোচনার আগে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে চার ঘণ্টার বৈঠক করেন মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকটি ছিল ‘খুবই ফলপ্রসূ’ এবং যুদ্ধ শেষ করার পথে যেসব রাস্তা এখনো খোলা রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আবুধাবির দুই দিনের আলোচনার শেষে কোনো চুক্তির ঘোষণা আসেনি।

Manual4 Ad Code

এদিকে শান্তি আলোচনার মধ্যেও কমেনি যুদ্ধের তীব্রতা। শনিবার রুশ বাহিনীর সঙ্গে একদিনে অন্তত ৬১টি সংঘর্ষের কথা জানায় ইউক্রেন। সবচেয়ে বেশি লড়াই হয় পোকরোভস্ক এলাকায়। রাতভর রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভ ও খারকিভে বেশ কয়েকজন হতাহত হন।

Manual3 Ad Code

জেলেনস্কি প্রশাসন জানায়, এসব হামলায় প্রায় ১২ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত খেরসনে একটি অ্যাম্বুলেন্সে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলায় চিকিৎসাকর্মী নিহতের দাবি করেছে মস্কো। এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি কিয়েভ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code