২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা: তিন সাংবাদিকসহ নিহত ১১

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ণ
গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা: তিন সাংবাদিকসহ নিহত ১১

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় চলছে ইসরাইলি বর্বরতা। দখলদার বাহিনীর হামলায় তিন সাংবাদিকসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
নিহত তিন সাংবাদিক (বাম দিক থেকে) মোহাম্মদ কাশতা, আব্দুল রউফ শাআত ও আনাস ঘানেইম।

Manual4 Ad Code

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরে বরাত দিয়েসংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী ইসরাইলি হামলায় ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই শিশু ও তিন সাংবাদিক রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার উপত্যকায় একটি ড্রোন পরিচালনাকারী ‘সন্দেহভাজনদের’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করে নেতানিয়াহুর সেনারা।

পরে জানা যায়, তাদের হামলায় প্রাণ গেছে মিশরীয় ত্রাণ সংস্থার হয়ে কাজ করা কয়েকজন সাংবাদিকের। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয় তাদের মরদেহ। একইদিন দখলদার বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন শিশুসহ কয়েকজন সাধারণ ফিলিস্তিনি।

Manual5 Ad Code

এক বিবৃতিতে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দফতর বলেছে, গাজা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-জাহরা এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় তিন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত তিন সাংবাদিক হলেন মোহাম্মদ সালাহ কাশতা, আবদুল রউফ শাআত এবং আনাস ঘনেইম।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের এই হাহাকারের মাঝেই শান্তির নতুন সমীকরণ মেলাতে এক কাতারে দাঁড়িয়েছে মুসলিম বিশ্ব। পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্কসহ আটটি রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা, কোন বাধা ছাড়া ত্রাণ প্রবেশ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে জোর দিচ্ছে দেশগুলো।

এদিকে বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, হামাস অস্ত্র সমর্পণে রাজি হয়েছে।

তিনি বলেন, অস্ত্র হাতে জন্ম নেয়া এই গোষ্ঠীর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন হলেও শান্তি রক্ষায় তাদের এটি করতেই হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সংগঠনটি তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে হামাসকে দ্রুত নিশ্চিহ্ন করে দেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

Manual2 Ad Code

গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি। ফিলিস্তিন ইস্যুটি মধ্যপ্রাচ্যের অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার উপরে থাকা উচিত বলেও মন্তব্য তার। মিশরের প্রেসিডেন্ট বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনই হলো এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনার মূল চাবিকাঠি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code