৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আরও একটি রেকর্ডে নাম লেখালেন রোনালদো, গোল হলো ৯৬০

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ণ
আরও একটি রেকর্ডে নাম লেখালেন রোনালদো, গোল হলো ৯৬০

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

রোনালদোর সঙ্গে রেকর্ডটা আদ্যোপান্তভাবে জড়িত। বয়স ৪০ পার করলেও থেমে নেই পর্তুগিজ এই তারকা। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সৌদি প্রো লিগে দামাকের বিপক্ষে গোল করে আরেকটি রেকর্ডে নাম লেখালেন সিআর সেভেন।
৯৬০ গোলের মাইলফলক স্পর্শও করেছেন রোনালদো।

Manual5 Ad Code

সৌদি প্রো লিগে বুধবার দামাকের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয় পেয়েছে আল নাসর। সেই ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে নিজের গোল সংখ্যাকে ৯৬০-এ নিয়ে ঠেকিয়ে হাজার গোলের মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

৪০ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ডের গোলে আল নাসর লিগে টানা দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে ১৬ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে রোনালদোর দল, যেখানে এক ম্যাচ কম খেলে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আল হিলাল।

Manual8 Ad Code

দামাকের মাঠে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই আব্দুররাহমান ঘারিবের গোলে এগিয়ে যায় আল নাসর। বিরতির পর ম্যাচের ৫০তম মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের পাস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোনালদো। গোলটি করার পর তিনি কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে গিয়ে চিরচেনা ‘সুই’ উদযাপনে মাতেন।

৬৮তম মিনিটে দামাক একটি গোল শোধ করলেও শেষ পর্যন্ত আল নাসরের জয় আটকাতে পারেনি। এই গোলের মাধ্যমে ১৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে এবারের আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলেন রোনালদো।

এই গোলটি রোনালদোকে ব্যক্তিগত অর্জনের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আল নাসরের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৩১ ম্যাচে ১১৬টি গোল করে ক্লাবটির ইতিহাসের সফলতম বিদেশি গোলদাতার রেকর্ড এখন তার দখলে।

Manual3 Ad Code

তিনি ছাড়িয়ে গেছেন মরক্কোর আব্দেররাজাক হামদাল্লাহকে। আল নাসরের ইতিহাসে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদো এখন তিনে; তার ওপরে আছেন মোহাম্মাদ আল সাহলাউই (১৩১ গোল) এবং মাজেদ আবদুল্লাহ (২৫৯ গোল)।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code