২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গ্রিসে প্রবাসী গুণী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা উৎসব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ণ
গ্রিসে প্রবাসী গুণী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা উৎসব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী গুণী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা ও বাংলা সংস্কৃতির প্রচারে গ্রিসের এথেন্স নগরীতে আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ সাংস্কৃতিক উৎসব। আগামী ১১ থেকে ১৩ জুন তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন করবে বাংলা ইউরোভিশন কমিউনিটি অ্যাওয়ার্ড।
গ্রিসে প্রবাসী গুণী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনা উৎসব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন।

Manual4 Ad Code

এ উপলক্ষে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে জার্মান প্রবাসী হেলেন স্মিথ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, কর্মসূচি ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য রাখেন ড. ওয়ালী তাসার উদ্দিন, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, কামরুল হাসান জনি ও মো. ফজলুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের পক্ষে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পিযূষ কান্তি আচার্য এবং টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান লিমন।

Manual2 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত বিভিন্ন পর্যায়ের গুণীজনকে যথাযথ সম্মান জানানো, পারস্পরিক মতবিনিময় এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলার ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।অনুষ্ঠানটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন আয়োজকরা।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code