২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইতালিতে মাদারীপুর জেলা প্রবাসী যুব সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ণ
ইতালিতে মাদারীপুর জেলা প্রবাসী যুব সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের প্রবাসী যুব সমাজকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ও সংগঠিত করার লক্ষ্যে, ইতালির বন্দর নগরী নাপোলিতে, মাদারীপুর জেলা প্রবাসী যুব সংঘ ইতালির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রবাসী যুব সমাজকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়।
১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সৈয়দ রাজু ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রোমান আকন নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতালিয়ান মানবাধিকার সংগঠনের নেতা জাল্লুকা পেট্রুজ্জা লা কমুনে, বিশেষ অতিথি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান উজ্জ্বল হাওলাদার, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন রতন, মো: জামাল হোসেন হাওলাদার, মো: আরাফাত হোসেন।

Manual3 Ad Code

সভায় অতিথিরা মাদারীপুর জেলার ঐক্য, সহযোগিতা এবং প্রবাসী যুবকদের কল্যাণে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করতেও সংগঠনটি সংক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

Manual3 Ad Code

শেষে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে নবগঠিত কমিটিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code