২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ব্রিটিশ হাই কমিশনে ‘ডিউক অব এডিনবার্গ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন চবির ৫ শিক্ষার্থী

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ব্রিটিশ হাই কমিশনে ‘ডিউক অব এডিনবার্গ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন চবির ৫ শিক্ষার্থী

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মর্যাদাপূর্ণ ‘ডিউক অব এডিনবার্গের গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী।

নেতৃত্বগুণ, ব্যক্তিগত দক্ষতা ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই সম্মাননা দেয়া হয়।ডিউক অব এডিনবার্গ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন চবি শিক্ষার্থীরা।

Manual8 Ad Code

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বারিধারায় ব্রিটিশ হাই কমিশনারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত ১০ম গোল্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে প্রায় ১৫০ জন তরুণের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

Manual6 Ad Code

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের ইউশা জামান তূর্য্য, আসমা বিনতে রশিদ, মাবসুরাহ মোরশেদ, নওশিন আরাফা ভাবনা ও কারিন সাফ্ফানা।

ডিউক অব এডিনবার্গের আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সর্বোচ্চ স্তর ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনের জন্য অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমাজসেবা এবং অভিযাত্রামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান এবং ডিউক অব এডিনবার্গ অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রিজওয়ান বিন ফারুক।

Manual1 Ad Code

অনুষ্ঠানে রিজওয়ান বিন ফারুক বলেন, ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য নিজেদের প্রস্তুত প্রমাণ করেছেন।

এ অর্জনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নশীল মান ও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতার প্রতিফলন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code