২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কাবুল বিস্ফোরণে নিহত ৭, রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
কাবুল বিস্ফোরণে নিহত ৭, রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

কাবুলের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেলে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাতজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ।

Manual6 Ad Code

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, হোটেলটি বাণিজ্যিক এলাকা শাহর-ই-নওয়ের কাছে অবস্থিত, যেখানে বড় বড় অফিস ভবন, শপিং কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে।
ওই এলাকাটিকে কাবুলের অন্যতম ‘নিরাপদ জেলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হোটেলের সামনের অংশে সৃষ্ট বড় গর্ত থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং রাস্তায় ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসাবশেষ।

Manual7 Ad Code

আফগানিস্তানে মানবিক সংস্থা ইমার্জেন্সির কান্ট্রি ডিরেক্টর দেজান প্যানিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ২০ জনকে আনা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

আহতদের মধ্যে চারজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, হাসপাতালে আনার আগেই সাতজনের মৃত্যু হয়।’

বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।২০২১ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান এবং তারা নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তবে এরপরও দেশটিতে একাধিক বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার অনেকগুলোর দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেটের স্থানীয় শাখা।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code