২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অবশেষে ভারতের ভিসা পেলেন দুই ইংলিশ ক্রিকেটার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ণ
অবশেষে ভারতের ভিসা পেলেন দুই ইংলিশ ক্রিকেটার

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে ভারতের ভিসা পেতে জতিলতায় পড়তে হয়েছে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের। সেই তালিকায় ছিলেন ইংল্যান্ডের দুই স্পিনার আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদ। অবশেষে ভারতের ভিসা পেয়েছেন এই দুই ইংলিশ স্পিনার।
আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদ।

Manual3 Ad Code

গত সপ্তাহের শেষে জানা যায়, রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদ ভারতের ভিসা ছাড়পত্রের অপেক্ষায় ছিলেন। যদিও ইংল্যান্ড দলের বাকি খেলোয়াড়রা তখনই তাদের ভিসা পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে দেরিতে হলেও, ভারতের ভিসা পেয়েছেন রেহার ও রশিদ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা পেতে একাধিকবার বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এই সমস্যার মুখে পড়েছেন আগেও।

ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। বর্তমানে সেই সম্পর্ক আরও নিম্ন পর্যায়ে থাকায় পাকিস্তানি নাগরিক কিংবা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। এমনকি ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাওয়ার আগেও পাকিস্তান জাতীয় দলকে স্বল্প সময়ের বিলম্বের মুখে পড়তে হয়েছিল।

Manual2 Ad Code

এদিকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়া কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড, ইতালি, বাংলাদেশ (মুশতাক আহমেদ- বোলিং কোচ) ও যুক্তরাষ্ট্র দলের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মোট ৪২টি ভিসা আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে নেদারল্যান্ডস ও কানাডার খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ভিসা পেয়েছেন। বাকিদের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগামী সপ্তাহের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে আইসিসি আশা করছে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট সব খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ ও কর্মকর্তার ভিসা ইস্যু হয়ে যাবে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code