২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ই-পাসপোর্ট ফি পুনর্নির্ধারণ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ই-পাসপোর্ট ফি পুনর্নির্ধারণ

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।
কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিনিময় হারের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে এই নতুন ফি কার্যকর হবে।

Manual6 Ad Code

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী ই-পাসপোর্টের নতুন ফি তালিকাঃ
বিগত ৬ মাসের গড় বিনিময় হার এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিলের ১০ শতাংশ সারচার্জসহ সংশোধিত ফি নিচে তুলে ধরা হলো।
সাধারণ শ্রমিক ও শিক্ষার্থী ক্যাটাগরি:
৪৮ পাতা (৫ বছর মেয়াদি): ১৬৪ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ১৪০ রিঙ্গিত।
৪৮ পাতা (১০ বছর মেয়াদি): ২৭৩ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ২৩৩ রিঙ্গিত।
৬৪ পাতা (৫ বছর মেয়াদি): ৮১৭ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৬৯৫ রিঙ্গিত।
৬৪ পাতা (১০ বছর মেয়াদি): ৯৫৩ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৮১০ রিঙ্গিত।

অন্যান্য ভিসা ক্যাটাগরি (পেশাজীবী ও অন্যান্য):
৪৮ পাতা (৫ বছর মেয়াদি): ৫৪৫ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৪৬৫ রিঙ্গিত।
৪৮ পাতা (১০ বছর মেয়াদি): ৬৮১ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৫৮০ রিঙ্গিত।
৬৪ পাতা (৫ বছর মেয়াদি): ৮১৭ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৬৯৫ রিঙ্গিত।
৬৪ পাতা (১০ বছর মেয়াদি): ৯৫৩ রিঙ্গিতের পরিবর্তে এখন দিতে হবে ৮১০ রিঙ্গিত।

Manual8 Ad Code

ইএসকেএল সার্ভিস চার্জঃ
আবেদন ফরম পূরণ, ডকুমেন্ট প্রস্তুতকরণ, ইন্টারভিউ, বায়ো-এনরোলমেন্ট, স্ক্যানিং এবং পাসপোর্ট ডেলিভারির অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেবার জন্য সাধারণ শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের ৩২ রিঙ্গিত এবং অন্যান্য আবেদনকারীদের ৬০ রিঙ্গিত প্রদান করতে হবে।

Manual5 Ad Code

হাইকমিশন জানিয়েছে, ডলারের বিপরীতে রিঙ্গিতের মান কমে যাওয়ায় সরকারি ফি এবং কল্যাণ তহবিলের সারচার্জ সমন্বয় করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রবাসীদের নির্ধারিত তারিখের পর থেকে নতুন হারে ফি পরিশোধ করে সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code