২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ঘুষের বিনিময়ে বাংলাদেশিদের প্রবেশ, মালয়েশিয়ায় সাবেক অভিবাসন কর্মকর্তা গ্রেফতার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ণ
ঘুষের বিনিময়ে বাংলাদেশিদের প্রবেশ, মালয়েশিয়ায় সাবেক অভিবাসন কর্মকর্তা গ্রেফতার

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাবেক উপ-সহকারী অভিবাসন পরিচালক মাস্তুরা আজিজ (৪৯) প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার রিঙ্গিত ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, যথাযথ প্রক্রিয়া না মেনে তিনি বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সুযোগ করে দেয়ার বিনিময়ে এই অর্থ গ্রহণ করেছিলেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দেশটির দায়রা আদালতে তার বিরুদ্ধে চারটি পৃথক অভিযোগ আনা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
আদালতে পেশ করা তথ্য অনুযায়ী মাস্তুরা আজিজ ২০২৫ সালের মে মাসে বিভিন্ন দফায় এই অর্থ গ্রহণ করেন। ৩ মে ২০২৫: ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ দিতে ১২ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত গ্রহণ।

৭ মে ২০২৫: ১৯ জন বাংলাদেশির জন্য ৪৭ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত গ্রহণ। ১১ মে ২০২৫: ২১ জন বাংলাদেশির বিনিময়ে ৫২ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত গ্রহণ। ১৫ মে ২০২৫: ১১ জন বাংলাদেশিকে প্রবেশের অনুমতি দিতে ২৭ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত গ্রহণ।

Manual6 Ad Code

অভিযোগগুলো মালয়েশিয়ান অ্যান্টি-করাপশন কমিশন (এমএসিসি) অ্যাক্ট ২০০৯-এর ধারা ১৬(এ)(বি) এর অধীনে আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে আইনের ২৪ নম্বর ধারার অধীনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর ইরনা জুলিজে মারাস, আর অভিযুক্তের পক্ষে লড়ছেন আইনজীবী দাতুক গিথান রাম ভিনসেন্ট।

Manual1 Ad Code

বিচারক মোহাম্মদ নাসির নর্ডিন আসামিকে ২০ হাজার রিঙ্গিত মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে জামিনের শর্ত হিসেবে মাসে একবার তাকে এমএসিসি অফিসে হাজিরা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী তারিখ এবং নথিপত্র জমা দেয়ার জন্য আদালত ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছেন।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code