২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালদ্বীপ ‘ফ্রি-ভিসা’ বন্ধে সমন্বিত সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপ ‘ফ্রি-ভিসা’ বন্ধে সমন্বিত সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ ও প্রতারণা রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ তথাকথিত ‘ফ্রি-ভিসা’ বন্ধে সমন্বিত সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।
প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ ও প্রতারণা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলা হয়।

Manual3 Ad Code

সম্প্রতি দেশটির ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল সিপি (অব.) আহমেদ ফাসীহ-এর সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক বৈঠকে তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও গঠনমূলক পরিবেশে দেশটির ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান বাংলাদেশ হাইকমিশন।

Manual4 Ad Code

এসময় হাইকমিশনার বলেন, নতুন করে অনেকে কর্মসংস্থানের জন্য মালদ্বীপে বৈধভাবে প্রবেশ করলেও প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান না পাওয়ায় পরবর্তীতে নানাবিধ সমস্যার মুখে পড়েন, যা তাদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেলে দেয়।

জবাবে, মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল আহমেদ ফাসীহ আশ্বাস দিয়ে বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত কোম্পানি ও নিয়োগকর্তাদের ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের শ্রম সম্পর্ক কর্তৃপক্ষ (এলআরএ) এ অভিযোগ দাখিলেও উৎসাহিত করা হবে।

এ সময় ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলার জেনারেল সম্প্রতি নেয়া মালদ্বীপ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। এর মধ্যে ই-ভিসা সিস্টেম ও ইমিগ্রেশন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু উল্লেখযোগ্য।
যা প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ থাকলেও তা দ্রুত সমাধান করা হবে এবং নতুন ব্যবস্থার আওতায় ভিসার অবস্থা অনলাইনে যাচাই করা যাবে এবং নিকট ভবিষ্যতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভিসা ইস্যুর পরিকল্পনা রয়েছে।

Manual2 Ad Code

এছাড়াও বর্তমানে বৈধ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-ভিসায় রূপান্তরের ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে এবং নতুন আগমনকারীদের জন্য এ সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে প্রযোজ্য হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ বৈঠকে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের যথাযথ মর্যাদা,কল্যাণ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

বৈঠক শেষে হাইকমিশনার প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের অধিকার,মর্যাদা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code