২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দিনব্যাপী স্বাস্থ্য সচেতনতা ও বিনামূল্যে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৭৩৮ জন কর্মী চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা সেবা পেয়েছেন।

Manual8 Ad Code

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। কুয়েতে বসবাসরত বিভিন্ন পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় প্রবাসী কর্মীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।

Manual1 Ad Code

ক্যাম্পে কুয়েতে কর্মরত অভিজ্ঞ বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে প্রবাসী কর্মীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রক্তচাপ, রক্তে সুগার পরীক্ষাসহ প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

Manual6 Ad Code

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, ওএসপি, এডব্লিউসি, পিএসসি।

Manual6 Ad Code

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দূতাবাসের এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে এগিয়ে আসা বিভিন্ন পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এ ধরনের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই ধরনের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এই বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পে মোট ৭৩৮ জন প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে কুয়েতের ওয়াফ্রা এলাকায় বসবাসরত ১৩২ জন কর্মীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা প্রদান করা হয় এবং তাদের যাতায়াতের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিবহন সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া কুয়েতের অন্যান্য এলাকায় বসবাসরত ৬০৬ জন কর্মীকে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সেবা গ্রহণের মধ্যদিয়ে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত এই বিশেষ ক্যাম্প সফলভাবে সমাপ্ত হয়।
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী প্রবাসী বাংলাদেশী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code