৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মোস্তাফিজ ইস্যুতে কেন চুপ ছিলেন ক্রিকেটাররা, ব্যাখ্যা দিলো কোয়াব

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ
মোস্তাফিজ ইস্যুতে কেন চুপ ছিলেন ক্রিকেটাররা, ব্যাখ্যা দিলো কোয়াব

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

আইপিএল নিলামে দল পাওয়ার পরেও খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না মোস্তাফিজুর রহমান। ভারতের কট্টরবাদী হিন্দু গোষ্ঠীর প্রতিবাদে তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

Manual7 Ad Code

এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (কোয়াব) এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া না হলেও তারকা পেসারের পাশে কোয়াব ছিল বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন৷সংবাদ সম্মেলনে মিঠুনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটার।

Manual8 Ad Code

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন জানান, ওই ঘটনার পর কোয়াবের পক্ষ থেকে মোস্তাফিজের সঙ্গে সভা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান মোস্তাফিজের ইস্যুটি নিয়ে কোয়াবের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সঙ্গে বৈঠক করেছে কোয়াব।

ডব্লিউসিএ আশ্বাস দিয়েছিল মোস্তাফিজকে এ ব্যাপারে যথাসম্ভব সাহায্য করতে। তবে আপাতত মোস্তাফিজ সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে চাচ্ছেন না। মিঠুনের মতে মোস্তাফিজের ভাষ্য, ‘আপাতত আমার দরকার নেই, পরে প্রয়োজন হলে জানাব।’

সংবাদ সম্মেলনে মিঠুনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিলেট টাইটান্সের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, দলটির আরেক ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। সেখানে আরও ছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের সাইফ হাসান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, সাইফউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম এবং মুমিনুল হকও ছিলেন সেখানে।

এসময় তামিম ইকবালকে করা বোর্ড পরিচালকের মন্তব্যের প্রতি নিন্দা জানান মিঠুনরা। তারা দাবি জানান, খেলোয়াড়দের যেমন কথাবার্তা বলার ক্ষেত্রে নিয়মকানুন মানতে জয় সেরকম কোড অব কন্ডাক্ট বোর্ড পরিচালকদের ক্ষেত্রেও থাকা উচিত।

Manual3 Ad Code

মোস্তাফিজ ইস্যু নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোয়াবের সভাপতি মিঠুন খেলার মধ্যে রাজনীতিকে না ঢোকানোর অনুরোধ করেছেন। একই অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও। ক্রিকেটকে ক্রিকেটের জায়গায় রাখার অনুরোধ রেখেছেন তারা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code