২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় প্রথম ‘ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্ট’, আয়োজক দলে একঝাঁক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় প্রথম ‘ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্ট’, আয়োজক দলে একঝাঁক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ায় প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স শিক্ষা উদ্যোগ ‘ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্ট’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গেল শনিবার (৩ জানুয়ারি) ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মালয়েশিয়া (ইউটিএম)-এর জোহর বাহরু ক্যাম্পাসে এই বিশেষ ইভেন্টটি আয়োজিত হয়।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ‘ওয়ার্ডপ্রেস’-কে একাডেমিক অঙ্গনে জনপ্রিয় করা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন।

Manual8 Ad Code

এই আন্তর্জাতিক ইভেন্টের মূল নেতৃত্বে ছিলেন একঝাঁক মেধাবী বাংলাদেশি তরুণ। ইভেন্টের লিড অর্গানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহীম এবং কো-লিড অর্গানাইজার হিসেবে ছিলেন ওয়েব ডেভেলপার নাসিম মিয়া। তাদের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের আরও ৫ জন অভিজ্ঞ সংগঠক যুক্ত ছিলেন।

Manual2 Ad Code

অনুষ্ঠানে মোট ৪ জন স্পিকার বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ থেকে স্পিকার হিসেবে উপস্থিত নাসিম মিয়া তার বক্তব্যে ওয়ার্ডপ্রেস স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন এবং ডিজিটাল ক্যারিয়ার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দেখান কীভাবে ওয়ার্ডপ্রেস শিখে বৈশ্বিক কমিউনিটির অংশ হওয়া যায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা যায়।

Manual5 Ad Code

ইভেন্টটির সফল বাস্তবায়নে বাংলাদেশি ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তারা দক্ষতার পরিচয় দেন। মোট ৫টি দেশের শিক্ষার্থীরা এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

ইভেন্টের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ইন্টার‌্যাকটিভ কুইজ সেশন। সেখানে মেধাতালিকায় শীর্ষ ৫ জনের মধ্যে ২ জনই ছিলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। এছাড়া লাকি ড্র-তেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেন।

Manual1 Ad Code

ইউটিএম-এর কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মুরসালিন বিন করিম বলেন, ‘এই ইভেন্ট আমাদের জন্য শুধু শেখার সুযোগ নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম ছিল।’

একই বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাতুল জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিং বা টেক ক্যারিয়ারে বিশেষ সহায়ক হবে।

আয়োজকদের মতে, মালয়েশিয়ায় এই সফল পথচলা ভবিষ্যতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাম্পাস কানেক্ট সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করেছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ওপেন সোর্স কমিউনিটির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হতে পারবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code