২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রয়োজনে দেশের জন্য আবার ‘অস্ত্র হাতে তুলে নেব’, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ণ
প্রয়োজনে দেশের জন্য আবার ‘অস্ত্র হাতে তুলে নেব’, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে হুমকি দিলে প্রয়োজনে তিনি তার দেশের জন্য ‘অস্ত্র হাতে তুলে নেবেন।’
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার দেশে সহিংস হস্তক্ষেপ করে তবে তিনি নিজেই লড়াই করবেন।

Manual8 Ad Code

সোমবার (৫ জানুয়ারি) একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, একজন সাবেক বামপন্থি যোদ্ধা পেট্রো বলেন, কলম্বিয়ায় যেকোনো সহিংস মার্কিন হস্তক্ষেপ, যেমন ভেনেজুয়েলায় করা হয়েছে, তার প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি আর কখনও অস্ত্র স্পর্শ না করার শপথ নিয়েছিলাম। কিন্তু স্বদেশের প্রয়োজনে আমি আবার অস্ত্র হাতে নেব।’
মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালানোর মতো কলম্বিয়াকেও সম্ভাব্য সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একজন স্পষ্ট সমালোচক হিসেবে পেট্রোকে সবাই জানে। দুই নেতা প্রায়শই একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্পের হুমকি ক্রমশ শত্রুতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্টে এর আগে বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর পেট্রোর তার পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা উচিত। যা আন্তর্জাতিক আইন অনুয়ায়ী ব্যাপকভাবে অবৈধ বলে বিবেচিত হয়।

এছাড়া রোববার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময়, ট্রাম্প বলেছিলেন যে, পেট্রোর সরকারের বিরুদ্ধে একই ধরণের অভিযান চালানোর বিষয়টি আমার কাছে ভালো শোনাচ্ছে।

Manual5 Ad Code

এ বিষয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কলম্বিয়াও খুবই অসুস্থ একটি দেশ। একজন অসুস্থ ব্যক্তি এই দেশ চালায়। যিনি কোকেন তৈরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতে পছন্দ করেন এবং তিনি খুব বেশি দিন এটি করতে পারবেন না।
কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ, আন্তর্জাতিক আইনের নিয়মের বিরুদ্ধে বলে নিন্দা জানিয়েছে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code