২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও মাদুরোর হুংকার: আমিই বৈধ প্রেসিডেন্ট

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ণ
মার্কিন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও মাদুরোর হুংকার: আমিই বৈধ প্রেসিডেন্ট

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

নিজেকে ‘নির্দোষ’ এবং এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত নিকোলাস মাদুরো। খবর আলজাজিরার।
ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মাদুরোকে নেয়া হচ্ছে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে।

Manual1 Ad Code

মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসও আদালতে মাদক সম্পর্কিত অভিযোগ থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।সোমবার (৫ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের আদালতে তাদের হাজির করা হয়।

Manual3 Ad Code

আদালতে মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন নির্দোষ এবং সজ্জন ব্যক্তি। আমি এখনও আমার দেশের সাংবিধানিক প্রেসিডেন্ট।’
শুনানি নিয়ে আদালত আগামী ১৭ মার্চ মাদুরোর পরবর্তী হাজিরার দিন ধার্য করেন। বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টাইন এ নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে গত শনিবার মার্কিন বাহিনীর এক ঝটিকা অভিযানে মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে অপহরণ করে নিউইয়র্কে নিয়ে আসা হয়। ওই অভিযানে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সামরিক হামলাও চালানো হয়।

এদিকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই সংকটময় সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি ‘ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক’ সম্পর্কের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলা এখন সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

Manual8 Ad Code

ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধে আরও সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছেন।

Manual6 Ad Code

কলম্বিয়ান প্রেসিডেন্ট এই হুমকিকে ‘অবৈধ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। একইসঙ্গে মেক্সিকোকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তাদের এখনই ‘নিজেদের সংশোধন’ করতে হবে।

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই আকস্মিক সামরিক হস্তক্ষেপ এবং মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই ঘটনাকে একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code