৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জার্নালিজম ফুটবল কার্ণিভালের চ্যাম্পিয়ন এলিট গ্ল্যাডিয়েটরস

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
জার্নালিজম ফুটবল কার্ণিভালের চ্যাম্পিয়ন এলিট গ্ল্যাডিয়েটরস

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

চট্টগ্রামের বেসরকারি পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (পিসিআইইউ) সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফুটবল কার্ণিভালে ট্রাইমেস্টার টাইটান্সকে টাইব্রেকারে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এলিট গ্ল্যাডিয়েটরস। চার দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এবারের ফুটবল কার্ণিভাল।
জার্নালিজম ফুটবল কার্ণিভালের চ্যাম্পিয়ন এলিট গ্ল্যাডিয়েটরস

Manual4 Ad Code

শনিবার (৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ফুটবল কার্ণিভালের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক, সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী।

দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি বিল্ডিং-সংলগ্ন মাঠে চলে ফুটবলের লড়াই। ফুটবলের পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় পিলো পাসিং ও মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো আকর্ষণীয় গেমস।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ফোরামের কোঅর্ডিনেটর আতিকুর রহমান।

Manual5 Ad Code

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে এবারের ফুটবল কার্নিভালের চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি তুলে দেন বিভাগের চেয়ারম্যান দিলরুবা আক্তার। রানার্স-আপ দলকে ট্রফি তুলে দেন বিভাগের সিনিয়র লেকচারার এবং স্পোর্টস ফোরামের কোঅর্ডিনেটর প্রশান্ত কুমার শীল।

Manual1 Ad Code

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের লেকচারার তাসলিমা আক্তার ইরিন, পিংকি চাকমা ও শাহরীন জাওয়াহা রিফাত।আয়োজনের অর্গানাইজিং টিমের আহবায়ক ছিলেন বিভাগের ২৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম তামিম ও আহবায়ক হিসেবে ছিলেন ৩০ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৌরভ মজুমদার।

ফুটবল কার্নিভালে সেরা গোলদাতা নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাইমেস্টার টাইটান্সের আজিজুর রহমান আজিজ। এছাড়া সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন এলিট গ্ল্যাডিয়েটরসের প্রশান্ত চাকমা।
এ সময় বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code