২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

২০ তম ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেল উলভারহ্যাম্পটন

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
২০ তম ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেল উলভারহ্যাম্পটন

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

১৯ ম্যাচের অপেক্ষা, অবশেষে ২০তম ম্যাচে এসে জয়ের মুখ দেখল উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স। প্রিমিয়ার লিগের সমীহ জাগানো দলটা চলতি মৌসুমে প্রথম ১৯ ম্যাচে সংগ্রহ করেছিল মাত্র ৩ পয়েন্ট। পয়েন্ট টেবিলের একদম তলানিতে থাকা দলটা খুব নাটকীয় কিছু না ঘটলে অবনমিত হওয়া নিশ্চিতই বলা যায়।

নতুন বছরে তাদের প্রথম ম্যাচটা ছিল অবনমন অঞ্চলে থাকা ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে। ঘরের মাঠে দারুণ এক জয়ে খরা কাটিয়ে আশার আলো জ্বেলেছে রব অ্যাডওয়ার্ডসের শিষ্যরা।
১৯ ম্যাচ পর লিগে জয়ের দেখা পেয়েছে উলভারহ্যাম্পটন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) মলিনাক্স স্টেডিয়ামে সফরকারী ওয়েস্টহ্যামকে ৩-০ গোলে হারিয়ে মৌসুমের প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে উলভারহ্যাম্পটন। ম্যাচের তিনটি গোলই হয় প্রথমার্ধে। জন আরিয়াস, হোয়াং হি-চান ও মাথেউস মানে উলভসের পক্ষে গোল তিনটি করেন।

Manual3 Ad Code

এই জয়ের পর ২০ ম্যাচে ১ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ২০ নম্বরেই থাকছে উলভারহ্যাম্পটন। সমান ম্যাচে ৩ জয় ও ৫ ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৮ নম্বরে ওয়েস্টহ্যাম।

Manual6 Ad Code

এদিন ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে জন আরিয়াস উলভসকে লিড এনে দেন। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হে-চান। ১০ মিনিট পর মানে গোল করলে জয় এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে যায় স্বাগতিকদের। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি ম্যাচে।

এদিকে, আর্সেনালের বিপক্ষে বড় হারের ধাক্কা ভুলে জয়ের ধারায় ফিরেছে অ্যাস্টন ভিলা। নটিংহ্যাম ফরেস্টকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে গেছে উনাই এমেরির শিষ্যরা। এক ম্যাচ বেশি খেলে ভিলা পেছনে ফেলেছে ম্যানচেস্টার সিটিকে।

ভিলা পার্কে এদিন প্রথমার্ধে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ওলে ওয়াটকিন্স। দ্বিতীয়ার্ধে জন ম্যাকগিন জোড়া গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে মর্গান গিবস-হোয়াইট একটি গোল শোধ করেন।
২০ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অ্যাস্টন ভিলা। ১৯ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ম্যানসিটি।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code