২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় ৯০ হাজার অবৈধ অভিবাসী আটক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় ৯০ হাজার অবৈধ অভিবাসী আটক

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সদ্য সমাপ্ত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে মালয়েশিয়াজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৯০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে সংস্থাটি।
ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত চিরুনি অভিযানের ফলে এই বিপুল সংখ্যক অভিবাসীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

Manual5 Ad Code

দেশটিতে ধরপাকড়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করাকেও গত বছরের অন্যতম সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিগত বছরে ইমিগ্রেশন বিভাগ তাদের অর্জনের ঝুলিতে একাধিক রেকর্ড যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে–বছরজুড়ে ৯০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক, ৫.১ বিলিয়ন রিঙ্গিতের বেশি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহ এবং ১৯ হাজার ২০৫টি এন্ট্রি পারমিট আবেদনের সফল নিষ্পত্তি।

সেবা ও নিরাপত্তার মানোন্নয়নের ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মালয়েশিয়ার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। সবশেষ ‘পাসপোর্ট ইনডেক্স’ র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, মালয়েশিয়ান পাসপোর্ট বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় শক্তিশালী পাসপোর্টের মর্যাদা অর্জন করেছে।

Manual2 Ad Code

দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি দক্ষ, আধুনিক এবং স্বচ্ছ ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। ২০২৫ সালের এই অর্জনগুলো আগামী দিনে সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে। আমরা পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই কঠোর অবস্থান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code