২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বেগম জিয়ার মৃত্যু: মালদ্বীপে শোক বইয়ে স্বাক্ষর বিদেশি কূটনীতিকদের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বেগম জিয়ার মৃত্যু: মালদ্বীপে শোক বইয়ে স্বাক্ষর বিদেশি কূটনীতিকদের

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাচ্ছেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের দেশটির বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনারসহ ইতোমধ্যে তিনটি দেশের কূটনীতিকরা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

Manual7 Ad Code

শোক বইয়ে স্বাক্ষর করা দেশগুলোর কূটনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার নিক লো, ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী জি. বালাসুব্রহ্মণ্যম, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনার মোহাম্মদ রিজভী হাসান।

Manual6 Ad Code

বাংলাদেশ হাইকমিশন সময় সংবাদকে জানিয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর চ্যান্সারি ভবনে এ শোক বই খোলার পর থেকে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা হাইকমিশনে এসে তাদের শোকবার্তা লিপিবদ্ধ করেন। শোক বইতে স্বাক্ষরের সময় কূটনীতিকরা নিজ নিজ দেশের জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও স্মরণ করেন।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই শোকবই উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশনে।

এদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে দেশের রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি সংহতি জানিয়ে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুসহ দেশটির উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code