২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

করাচিতে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ছাড়পত্র পেল বিমান বাংলাদেশ, কবে থেকে শুরু?

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ণ
করাচিতে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ছাড়পত্র পেল বিমান বাংলাদেশ, কবে থেকে শুরু?

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

Manual3 Ad Code

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। সৌহার্দ্যপূর্ণ এই পরিবেশই সরাসরি ফ্লাইট পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তের পথ প্রশস্ত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা দুবাই বা দোহা হয়ে যাতায়াত করেন।

Manual6 Ad Code

সূত্র জানিয়েছে, ফেডারেল সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএ) বিমান বাংলাদেশকে ঢাকা-করাচি ফ্লাইট পরিচালনায় অনুমতি দিয়েছে।
প্রাথমিক অবস্থায় এই অনুমোদন ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর অনুমোদনটি আবারও পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

Manual1 Ad Code

অনুমোদন অনুযায়ী, বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স অফিসিয়ালভাবে অনুমোদিত রুট দিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে।
সিএএ সূত্র জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে যে রুটে পাকিস্তানে বিমান চলাচলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে সেটি কঠোরভাবে মানতে হবে। ঢাকা থেকে বিমান উড়ার আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফ্লাইটের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে। সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে অপারেশনাল সমন্বয় এবং নিরাপত্তা সম্মতি।

Manual2 Ad Code

সূত্র আরও জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ফ্লাইট শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হোসেন খান নিশ্চিত করেছিলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code