৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নেদারল্যান্ডসে আতশবাজি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আগুনে আমস্টারডাম গির্জা ধ্বংস

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেদারল্যান্ডসে আতশবাজি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আগুনে আমস্টারডাম গির্জা ধ্বংস

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

নেদারল্যান্ডসে আতশবাজি দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন এবং দেশটিতে নববর্ষ উদযাপনের সময় বিক্ষিপ্ত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একটি পৃথক ঘটনায় আমস্টারডামের কেন্দ্রস্থলে একটি ঐতিহাসিক গির্জা পুড়ে গেছে।

নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের ভন্ডেলকার্ক গির্জায় আগুন লাগার পর থেকে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়া উড়ছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নেদারল্যান্ডস ঐতিহ্যগতভাবে নববর্ষ উদযাপন করে, এ সময় বিপুল সংখ্যক আতশবাজি পোড়ানো হয় যার ফলে প্রতি বছর শত শত মানুষ আহত হন এবং লক্ষ লক্ষ ইউরোর ক্ষতি হয়।

Manual2 Ad Code

পুলিশ জানিয়েছে, এই বছর নববর্ষের প্রাক্কালে প্রায় ২৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বেশ কয়েকটি শহরে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ‘এই নববর্ষের শুরুতে কিছু এলাকায় ভারী আতশবাজি এবং অগ্নিসংযোগের প্রভাব ছিল মারাত্মক ধ্বংসাত্মক। জরুরি পরিষেবা এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সহিংসতা আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে।’

Manual1 Ad Code

পুলিশ জানিয়েছে, আতশবাজি দুর্ঘটনায় আমস্টারডামের কাছে ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর নিজমেগেনের একটি ছেলে নিহত হয়েছেন।

Manual1 Ad Code

এছাড়া আমস্টারডামে, শহরের কেন্দ্রীয় ভন্ডেলপার্কের কাছে অবস্থিত একটি গির্জায় মধ্যরাতের কিছু পরেই শুরু হওয়া আগুনে ধ্বংস হয়ে যায়।

Manual7 Ad Code

এদিকে, আমস্টারডাম পুলিশ এবং দমকল বিভাগ জানিয়েছে যে তারা ঘটনার তদন্ত করছে এবং ১৮৭২ সালে নির্মিত গির্জায় আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code