২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বেলারুশে শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন রাশিয়ার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বেলারুশে শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন রাশিয়ার

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

ইউরোপের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ বেলারুশে নিজেদের তৈরি শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ওরেশনিক মোতায়েন করেছে রাশিয়া। এই ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতে ইউরোপকে লক্ষ্যবস্তু করার ক্ষেত্রে মস্কোর ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইউরোপের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ বেলারুশে নিজেদের তৈরি শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ওরেশনিক মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ার ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় ‘কমব্যাট ডিউটি’ পালন শুরু করেছে।
এদিন রাশিয়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনের একটি ফুটেজ প্রকাশ করে। একে ওরেশনিক সিস্টেমের প্রথম প্রকাশ্য প্রদর্শন বলে জানায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাস।

ভিডিওতে দেখা যায়, বনপথের ভেতর দিয়ে একটি ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং সেটি ঢাকা আছে সবুজ রঙের নেটে। তবে বেলারুশের ঠিক কোথায় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মোতায়েন করা হয়েছে তা প্রকাশ করেনি রুশ ও বেলারুশ সেনাবাহিনী।

Manual4 Ad Code

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে গর্ব করে বলেন, এটি শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন এবং একে আটকানোর মতো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তথা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনও তৈরি হয়নি।

Manual4 Ad Code

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বেলারুশে মোতায়েনের পুরো ইউরোপ এখন এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে এলো। কারণ মধ্যমপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। বেলারুশ থেকে ইউরোপের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলেও আঘাত হানতে পারবে ওরেশনিক।

Manual2 Ad Code

পশ্চিমা রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সম্প্রতি ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর কয়েক জন সদস্য এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যেগুলো রাশিয়ার একদম ভেতরে আঘাত হানতে সক্ষম। এমন তথ্য পাওয়ার পরই বেলারুশে ওরেশনিক মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code