২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রামে এক্স’পি’এল ক্রিকেট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৯:১৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে এক্স’পি’এল ক্রিকেট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

Manual2 Ad Code

চট্টগ্রামে এক্স’পি’এল ক্রিকেট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

নিউজ স্বাধীন ভাষা: চট্টগ্রাম পতেঙ্গা কর্ণফুলী ইপিজেড সিং সাং সুজ বিডি লিমিটেড যৌথ ক্রিকেট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত।

Manual1 Ad Code

৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার
বেলা ১১ ঘটিকায় সাইলো স্টেডিয়াম মাঠে, মোঃ মিজানুর রহমান সঞ্চালনায়
প্রধান অতিথি, মোঃ মামুন আহমদ সেকশন শিপ ওয়্যারহাউস।

চিং চাং সুজ বিডি লিমিটেড ওয়্যারহাউস একাদশ বনাম পি এম সি একাদশ এই দুই দল ফাইনাল ম্যাচ খেলায় অংশগ্রহণ করে ।

Manual1 Ad Code

টর্চ বিজয়ী হয়েছে পিএমসি একাদশ, খেলায় ১২ বোল ৩ রান ৪ উইকেট পি’এম’সি একাদশ,১২ বোল ৩৯ রানে ০ উইকেট ওয়্যারহাউস একাদশ।

১০ ওবার খেলায় পি’এম’সি একাদশ ৭১ রানে টার্গেট দেয়।

Manual3 Ad Code

ওয়্যারহাউস একাদশ আলমগীর’র বেট থেকে ৬ রানে বিজয়ী হয়েছে ওয়্যারহাউস একাদশ এবং খেলা ম্যান অব দ্যা ম্যাচ গ্রহণ করেছে ১।মোঃ আলমগীর,
২। জাহিদ লাইন-3, ৩। নাহিয়ান পি এম সি,৩। ফরিদ,৪। ইমন ওয়্যারহাউস , ৫। পারভেজ গুলোসবি, ৬। আক্তার পিএমসি, ৬। আলমগীর ওয়্যারহাউস, ৭।ফরিদ ,৮। আতাহার গুলোসবি , ৯। হাফেজ ওয়্যারহাউস,১০। আক্তার পিএমসি , ১১।আলমগীর ওয়্যারহাউস।

সেরা ব্যাটসম্যান, ১। নাহিয়ান
সেরা বোলার , ১। রবিন ,
ম্যান অফ দ্যা সিরিজ, ১। আক্তার

Manual4 Ad Code

খেলা শেষে প্রথম পুরস্কার ১৫ হাজার টাকা ও একটি টপি তুলে দেয়া হয় ওয়্যারহাউস একাদশ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলমগীর এর হাতে, এবং দ্বিতীয় পুরস্কার ১০ হাজার টাকা ও একটি টপি তুলে দেয়া হয় পি এম সি একাদশ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সায়েম এর হাতে।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ কামাল,
উপস্থিত ছিলেন, জাহিদ,নুরু, হাবিবুল্লাহ, মামুন, সিং চাং সুজ বিডি লিমিটেড কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বিভিন্ন স্থান থেকে আগত খেলা প্রেমিক দর্শক ও গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code