২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইয়েমেনে বিমান হামলা চালালো সৌদি আরব

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনে বিমান হামলা চালালো সৌদি আরব

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তেলসমৃদ্ধ হাদরামাউতে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
ইয়েমেনের পতাকা।

Manual3 Ad Code

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এই হামলা চালানো হয় বলে একজন স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা শিনহুয়াকে জানিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি) সংশ্লিষ্ট একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বরের শুরুতে আকস্মিক সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশের সবচেয়ে তেলসমৃদ্ধ প্রদেশগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী এসটিসি।

Manual5 Ad Code

এসব অঞ্চলের দখল ছেড়ে দিতে এসটিসিকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছিল সৌদি আরব। হারদামাউত ইয়েমেনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ এবং এটির সঙ্গে সৌদির বিশাল সীমান্ত রয়েছে।

ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরব একদিন আগে এসটিসিকে হাদরামাউত থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল। বিমান হামলায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিমান হামলার পর লক্ষ্যবস্তু এলাকাগুলো থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

এদিকে, এসটিসি–ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হাদরামাউতের গাইল বিন ইয়ামিন এলাকায় তাদের বাহিনীর ওপর এই বিমান হামলা হয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সমর্থক সৌদি আরব এখন পর্যন্ত এসব বিমান হামলা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

তবে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ইয়েমেনের দক্ষিণের দুটি প্রদেশে এসটিসির সাম্প্রতিক সেনা মোতায়েন ‘অযৌক্তিক উত্তেজনা সৃষ্টি’ করেছে, যা ইয়েমেনের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে এবং স্থিতিশীলতা ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code