২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আইএল টি-টোয়েন্টি অভিযান শেষে দেশের পথে তাসকিন-মোস্তাফিজ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৭:০৫ অপরাহ্ণ
আইএল টি-টোয়েন্টি অভিযান শেষে দেশের পথে তাসকিন-মোস্তাফিজ

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত আইএল টি-টোয়েন্টি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে ৮ ম্যাচে সংগ্রহ করেছেন ১৫ উইকেট। পাশাপাশি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থেকেই আইএলের এবারের যাত্রা শেষ করছেন তিনি।

Manual1 Ad Code

আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলা আরেক বাংলাদেশি তাসকিন আহমেদও ৯ উইকেট শিকার করেছেন।

Manual3 Ad Code

এই দুই পেসারই বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

আইএল টি-টোয়েন্টিতে ভিন্ন দুই দলে খেলেছেন মোস্তাফিজ ও তাসকিন।

Manual4 Ad Code

বৃহস্পতিবার রাতে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে আইএলের হয়ে মোস্তাফিজের শেষ ম্যাচ ছিল। আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিপিএলের দ্বাদশ আসর। সেই আসরে রংপুর রাইডার্সের হয়ে মাঠ মাতাবেন এই তারকা। রংপুরের ম্যাচ শুরু হবে ২৯ ডিসেম্বর।

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই মুস্তাফিজ দুর্দান্ত বল করে গেছেন। ৮ ম্যাচে মোট উইকেট সংগ্রহ করেছেন ১৫ টি। ম্যান অব দ্য ম্যাচও হয়েছেন একদিন। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় তিনি পৌঁছে গেছেন দুই নাম্বারে। সব মিলে মুস্তাফিজের এবারের আইএল টি-টোয়েন্টির যাত্রা স্মরণীয় হয়েই থাকবে। দুবাইকেও মুস্তাফিজের না থাকার অভাব ভুগাবে।

এদিকে তাসকিনও বিপিএল খেলার জন্যই বাংলাদেশে আসছেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে মাঠ মাতাবেন তাসকিন। আইএল টি-টোয়েন্টিতে শারজাহর হয়ে তাসকিন সংগ্রহ করেছেন ৬ ম্যাচে ৯ উইকেট।

তাসকিনের দল ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার।

তাসকিন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এক স্ট্যাটাসে দেশে ফেরার কথা জানান। সেই স্ট্যাটাসের মোস্তাফিজের সঙ্গে একটি ছবিও জুড়ে দিয়েছেন তাসকিন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code