২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৬:৫৭ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর হুমকির মধ্যে গাজাজুড়ে দেশটির সামরিক বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে একজন ফিলিস্তিনি নিহত ও এক শিশুসহ কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন।
গাজা উপত্যকায় একদিকে চলছে হামলা, অন্যদিকে ত্রাণ প্রবেশেও কৌশল অবলম্বন করছে ইসরাইল।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জাবালিয়া, গাজা সিটি ও খান ইউনিস, রাফাহ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালায় দখলদার বাহিনী। এতে কয়েকজন হতাহত হন। ইয়েলো লাইন এমনকি সেনা প্রত্যাহার করা এলাকাতে এসব হামলা হয়েছে বলে দাবি গাজা কর্তৃপক্ষের।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার উত্তর গাজার জাবালিয়ায় ইসরাইলি বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালালে আইয়ুব আবদেল আয়েশ নাসর নামে একজন ফিলিস্তিনি নিহত ও দুইজন আহত হন।

চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াফা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, খান ইউনিসের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন আহত হয়েছেন। গাজার মধ্যাঞ্চলীয় মাগাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এক শিশুকে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি বাহিনী ‌৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি বাহিনী ৮৭৫ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

Manual5 Ad Code

এদিকে রাফাহ এলাকায় বিস্ফোরণে এক ইসরাইলি কর্মকর্তা আহত হওয়ার ঘটনায় হামাসকে দায়ী করেছে তেল আবিব। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, নিরস্ত্রীকরণের কোনো ইচ্ছা দেখাচ্ছে না হামাস। তবে হামাস পাল্টা দাবি করেছে, ইসরাইলি কর্মকর্তা আহত হওয়ার ঘটনাটি পুরানো অবিস্ফোরিত বোমা থেকে ঘটেছে। যুদ্ধবিরতিতে এখনও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

Manual6 Ad Code

এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অভিযোগ করে বলেছেন, ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজায় মানবিক সহায়তা আটকে দিচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, তুরস্ক শান্তির পক্ষে, কিন্তু অন্যায়ের সঙ্গে আপস করবে না। এদিকে বুধবার আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠক করেছে হামাসের প্রতিনিধিদল। বৈঠকে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ও মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code