২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

লেবানন ও গাজায় একের পর এক হামলা ইসরাইলের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০২:৪৯ অপরাহ্ণ
লেবানন ও গাজায় একের পর এক হামলা ইসরাইলের

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাইদনে ইসরাইলি বিমান হামলায় একটি গাড়িতে থাকা অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজা সিটিতে নেতানিয়াহু বাহিনীর আগ্রাসনে নিহত হয়েছেন অন্তত দু’জন।

Manual5 Ad Code

এছাড়া পূর্ব জেরুজালেমে একটি বাড়ি ভেঙেছে দখলদাররা, আর পশ্চিম তীরে নতুন করে নোটিশ দিয়েছে আরও ছয়টি বাড়ি ভাঙার।

Manual2 Ad Code

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের শহর সাইদনের কাছে একটি গাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

দেশটির নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল একটি চলন্ত যান।এ ঘটনায় ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইলি হামলায় নিহত হচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। সবশেষ গাজা সিটিতে কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

উপত্যকাটির সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তারা অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমসহ ৬৫টি জরুরি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে।

এছাড়া অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে ইসরাইলি বাহিনী একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে। এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১৩টি ফিলিস্তিনি পরিবার।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছর জেরুজালেমে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান হয়েছে অন্তত ৩৭০ বার।

একইসঙ্গে পশ্চিম তীরের হেবরনের তারকুমিয়াহ এলাকায় ছয়টি ফিলিস্তিনি বাড়ি নতুন করে ভাঙার নোটিশ দিয়েছে ইসরাইল।

Manual1 Ad Code

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, বসতি সম্প্রসারণ ও ভূমি দখলের কৌশল হিসেবেই বাড়ি ধ্বংসের পথ বেছে নিচ্ছে তেল আবিব।

অন্যদিকে গাজার মিডিয়া অফিস দাবি করেছে, ইসরাইল ৮৭৫ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪১১ জন, আহত হয়েছেন এক হাজারের বেশি।

এরইমধ্যে ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নিজ দেশেই তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code