২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অপহৃত ১৩০ জন নাইজেরিয়ান শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছে: প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
অপহৃত ১৩০ জন নাইজেরিয়ান শিক্ষার্থীকে মুক্ত করা হয়েছে: প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

নভেম্বরে অপহৃত বাকি ১৩০ নাইজেরিয়ান স্কুলছাত্রকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবুর মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত মাসে নাইজার রাজ্যের একটি ক্যাথলিক স্কুল থেকে তাদের অপহরণ করা হয়েছিল। খবর রয়টার্সের।
অপহৃত ১৩০ জন নাইজেরিয়ান শিক্ষার্থীকে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Manual3 Ad Code

‘সন্ত্রাসীদের দ্বারা অপহৃত বাকি ১৩০ জন স্কুলছাত্র… এখন মুক্ত। তারা সোমবার মিন্নায় পৌঁছাবে এবং বড়দিন উদযাপনের জন্য তাদের বাবা-মায়ের সাথে পুনরায় যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

মুখপাত্র বায়ো ওনানুগা এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের মুক্তি সামরিক-গোয়েন্দা পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।’

Manual8 Ad Code

২১ নভেম্বর ভোরে পাপিরি গ্রামের সেন্ট মেরি’স ক্যাথলিক বোর্ডিং স্কুল থেকে বন্দুকধারীরা দুই শতাধিক ছাত্র এবং ১২ জন কর্মীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

Manual5 Ad Code

নাইজেরিয়ার খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন আগে বলেছে যে, পঞ্চাশজন শিশু সেই সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, অন্যদিকে নাইজেরিয়ার সরকার ৮ ডিসেম্বর জানায়, তারা অপহৃতদের মধ্যে ১০০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

ওনানুগা বলেন, এখন মুক্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ২৩০ জন।
এই অপহরণের ফলে উত্তর নাইজেরিয়ার নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যেখানে সশস্ত্র দলগুলো প্রায়শই মুক্তিপণের জন্য স্কুলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে। ২০১৪ সালে বোকো হারাম জঙ্গিরা চিবোক থেকে ২৭৬ জন ছাত্রীকে অপহরণের পর স্কুল অপহরণের ঘটনা বেড়ে যায়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির সবচেয়ে বড় গণঅপহরণের ঘটনা এটি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code