৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য বন্ধ হলো সামাজিক মাধ্যমের ১০ প্ল্যাটফর্ম

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৩:১২ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য বন্ধ হলো সামাজিক মাধ্যমের ১০ প্ল্যাটফর্ম

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামসহ ১০টি সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

Manual8 Ad Code

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় মধ্যরাত থেকে দেশটিতে শিশুদের জন্য প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি এই নির্দেশ না মানলে সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে হবে।

তবে সরকারের সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার অনেক সাধারণ মানুষ। গত এক বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা।

অবশেষে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে দেশটিতে নিষিদ্ধ হয়েছে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য ১০টি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার।

Manual2 Ad Code

দেশটিতে শিশুদের জন্য টিকটক, গুগল, ইউটিউব এবং মেটার ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সরকারের নতুন আইন অনুযায়ী, ১০টি বৃহত্তম প্ল্যাটফর্মকে শিশুদের প্রবেশ সুবিধা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোনো কোম্পানি এই নির্দেশ না মানলে সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে হবে। মানবাধিকারকর্মীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন।

Manual6 Ad Code

এমনকি, বিশ্বের অন্য যেসব দেশ শিশুদের বয়স বিবেচনায় একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে, সেসব দেশও বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার এই নিষেধাজ্ঞার দিকে নজর রাখছে।

Manual5 Ad Code

তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এমন পদক্ষেপের সমালোচনা করছে বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানি ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করা প্রতিষ্ঠানগুলো।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code