৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক: ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বাড়ানোর চিন্তা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক: ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বাড়ানোর চিন্তা

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইউরোপীয় নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেখানে ইউরোপীয় নেতারা মন্তব্য করেছেন, ‘এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বাড়ানোর এবং রাশিয়ার উপর চাপ প্রয়োগের।

Manual7 Ad Code

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) লন্ডনে জেলেনস্কি, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সাথে দেখা করেন। গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রণীত শান্তি পরিকল্পনার সর্বশেষ সংস্করণ নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

আলোচনা শেষে ইউরোপীয় নেতারা বলেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে আরও কাজ করা প্রয়োজন, কারণ যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার সাথে দ্রুত চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য কিয়েভের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এদিকে, ন্যাটো কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করতে ব্রাসেলসে ভ্রমণকারী জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সংশোধিত পরিকল্পনা শেয়ার করবে।

গত সপ্তাহে, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ফ্লোরিডায় মার্কিন আলোচক দলের সাথে তিন দিন কাটিয়েছেন, যেখানে তারা রাশিয়ার পক্ষে অনুকূল এমন একটি মার্কিন-সমর্থিত শান্তি প্রস্তাবে পরিবর্তন আনার জন্য চাপ দিচ্ছেন।

Manual7 Ad Code

সোমবার লন্ডনে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জেলেনস্কি বলেন, নভেম্বরে প্রস্তাবিত প্রাথমিক চুক্তি থেকে ইউক্রেন-বিরোধী বিষয়গুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন, অঞ্চল ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে এবং সেখানে এখনও কোনো আপস হয়নি।

Manual6 Ad Code

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শান্তি প্রস্তাবে বলেছে, ইউক্রেন তার সেনাবাহিনীকে পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে নেবে, যেগুলো রাশিয়া জোর করে দখল করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সম্পূর্ণরূপে দখল করতে পারেনি। বিনিময়ে, রাশিয়া অন্য কোথাও তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে এবং যুদ্ধ বন্ধ হবে।

Manual6 Ad Code

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, নেতারা সকলেই একমত হয়েছেন যে, এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং এই বর্বর যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আমাদের অবশ্যই ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বৃদ্ধি এবং পুতিনের উপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতারা ইউক্রেনে একটি ন্যায়সঙ্গত এবং স্থায়ী শান্তির প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তার।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code