২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়েতে আত্মপ্রকাশ করল এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কমিটি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ০২:৪৫ অপরাহ্ণ
কুয়েতে আত্মপ্রকাশ করল এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কমিটি

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

কুয়েতে আত্মপ্রকাশ করেছে এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কমিটি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক অধিকার, সহায়তা ও ইতিবাচক বৈশ্বিক উপস্থাপনাকে লক্ষ্য করে সংগঠনটি নতুন অঙ্গীকারে কার্যক্রম শুরু করেছে। সংগঠনের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও নেতারা জানান, বর্তমানে এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স ৪০টি দেশে সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) জিলিব আল শুয়েখের জমজম রেস্টুরেন্টের হলরুমে নতুন কমিটির পরিচিতি ও কুয়েত প্রবাসী সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কমিটির কুয়েত নেতৃবৃন্দরা।

সংগঠনটির যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্মতৎপরতার মূল্যায়ন করে গত ১৪ নভেম্বর, এনসিপি ডায়াসপোরা এলাইন্স সেন্ট্রালের অনুমোদনে কুয়েতে ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সামাজিক, মানবিক ও সাংগঠনিক সহায়তা, অধিকার রক্ষা, সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা এবং জরুরি প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কুয়েতের মূল লক্ষ্য বলে জানান তারা।

Manual2 Ad Code

এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স কুয়েত কমিটিতে আছেন আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন, অর্থ সচিব কামাল হোসেন এবং মোহাম্মদ আল আমিন, মিডিয়া ও প্রচার সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক তানজিম হাসান, আবির আহাদ, নাসিরুদ্দিন অপু, মোহাম্মদ দিদার হোসেন, এনামুল হক।

Manual3 Ad Code

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি ও সময় টিভির প্রতিনিধি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি আ হ জুবেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও যমুনা টিভির প্রতিনিধি হেবজু মিয়া, এটিএন নিউজের প্রতিনিধি আহাদ আম্বিয়া খোকন, গাজী টিভির প্রতিনিধি আলাল আহম্মদ সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code