২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘ভারতের সাথে আরেকটি যুদ্ধের হুমকি এখনও আছে’, সতর্কতা আসিফের

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২২, ২০২৫, ০৮:৪৩ অপরাহ্ণ
‘ভারতের সাথে আরেকটি যুদ্ধের হুমকি এখনও আছে’, সতর্কতা আসিফের

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

Manual5 Ad Code

২২ নভেম্বর ২০২৫ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার ভারতের সাথে আরেকটি যুদ্ধের ঝুঁকি এখনও আছে বলে সতর্ক করেছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘প্রক্সি’ সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক দশক পরেও এটি একটি চলমান হুমকি।

ভারতের সাথে আরেকটি যুদ্ধের ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ কখনোই সত্যিকার অর্থে শেষ হয়নি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি তীব্রতর হয়েছে।’ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ বলেন।

এ সময় আসিফ ব্যাখ্যা করেন যে, ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ ১৯৮০-এর দশকে শুরু হয়েছিল এবং এটি আধুনিক যুদ্ধের একটি হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, লাহোর এবং রাওয়ালপিন্ডিতে সম্প্রতি বিস্ফোরণগুলো এই উত্তেজনার সাথে যুক্ত। আসিফ আরও বলেন, মে মাসের সংঘাতের পর যুদ্ধের তাৎক্ষণিক হুমকি অনেক বেশি ছিল। মূলত মে মাসের সংঘাতের পর, আরেকটি যুদ্ধের আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায় এবং সেই ঝুঁকি এখনও শেষ হয়নি।

Manual3 Ad Code

এ সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামূলক সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের বিজয়কে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং হস্তক্ষেপ করে নতুন উত্তেজনা থামিয়ে দিয়েছে। জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসে, পাকিস্তান বিমান বাহিনী রাফায়েলসহ সাতটি ভারতীয় বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে এবং একটি এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে। এর পরও ভারতের সাথে সংঘাতের ঝুঁকি পাকিস্তানের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেন আসিফ।

Manual7 Ad Code

মে মাসে, দুই পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের মধ্যে চার দিনের তীব্র সংঘাত হয়। পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালানোর পর পকিস্তানও পাল্টা আক্রমণ চালায়। এতে উভয়পক্ষের হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্ততায় যুদ্ধবিরতি হয় ভারত ও পাকিস্তানের।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code