২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কম্বোডিয়ায় সেতু থেকে নদীতে পড়লো বাস, নিহত ১৬

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২২, ২০২৫, ০৭:২৫ অপরাহ্ণ
কম্বোডিয়ায় সেতু থেকে নদীতে পড়লো বাস, নিহত ১৬

ফাইল ছবি। দৈনিক স্বাধীন ভাষা

Manual6 Ad Code

কম্বোডিয়ায় সেতু থেকে নদীতে পড়লো বাস, নিহত ১৬

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  কম্বোডিয়ায় রাজধানী নমেপেন যাওয়ার পথে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গেছে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুই ডজন মানুষ। পুলিশের বরাতে এ খবর জানিয়েছে এপি।

প্রতিবেদন মতে, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কাম্পং থম প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি দেশটির ওদ্দার মিঞ্চে প্রদেশের অ্যাঙ্কর ওয়াট মন্দিরের শহর সিয়েম রিপ থেকে রাজধানী নমপেনে যাচ্ছিল। বাসটির সব যাত্রী কম্বোডিয়ার নাগরিক। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কাম্পং থমের পুলিশ প্রধান সিভ সোভানা জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাস চালাতে চালাতে চালকের ঘুমঘুম ভাবের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। সিয়েম রিপ থেকে নমপেন সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার পথ বলেও জানান এই কর্মকর্তা। তবে নিহতদের মধ্যে চালক আছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, মৃতদেহগুলো দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

ফাইল ছবি। দৈনিক স্বাধীন ভাষা

Manual7 Ad Code

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো কম্বোডিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই নিয়মিত ঘটনা। দেশটির গণপূর্ত ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কম্বোডিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৫০৯ জন নিহত হন। আর চলতি বছর প্রথম নয় মাসে নিহত হয়েছের এক হাজার ৬২ জন।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code