২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক স্ট্যাটাস

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক স্ট্যাটাস

Manual3 Ad Code

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক স্ট্যাটাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি।

 


স্ট্যাটাসে নরেন্দ্র মোদি লিখেন, মদিনায় ভারতীয় নাগরিকদের দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। প্রিয়জন হারানো পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। রিয়াদে আমাদের দূতাবাস এবং জেদ্দায় কনস্যুলেট সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান করছে। আমাদের কর্মকর্তারা সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন।

Manual5 Ad Code

এর আগে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে মদিনা ও বাদরের মধ্যে মুফরাহথ এলাকায় একটি বাস এবং ট্যাংকার লরির সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জন ওমরাহযাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন নারী ও ১১ জন শিশু রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বেঁচে আছেন। নিহত সকলেই হায়দরাবাদের বাসিন্দা বলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনার সময় বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাসটি সংঘর্ষের পর আগুন ধরে যায়। এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর দুর্ঘটনার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াদের রাষ্ট্রদূতাবাস এবং জেদ্দার কনসুলেট নিহতদের পরিবার এবং আহতদের সহায়তার জন্য কাজ করছে। তিনি নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনা করেন।

Manual7 Ad Code

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, এ ঘটনায় জেদ্দার কনস্যুলেটে ২৪ ঘণ্টা একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ওমরাহ অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতীয় কনস্যুলেট ও কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবীরা হাসপাতালে ও দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

উক্ত সংবাদটি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে সংগ্রহীত করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code