২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আগামী কাল পবিত্র শ্যামপুর শরিফের উরুস মোবারক পালিত হতে চলেছে

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৫, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
আগামী কাল পবিত্র শ্যামপুর শরিফের উরুস মোবারক পালিত হতে চলেছে

Manual8 Ad Code

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম দুই বাংলার আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী পন্ডিত ও চিন্তাবিদ সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশ্ব বিখ্যাত প্রায়ত পীর সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা হজরত মাওলানা আল্লামা অসিমুদ্দিন শাহ আল কাদেরী র উরুস মোবারক আগামী কাল অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পূর্ব এর শ্যামপুর শরিফে।

Manual1 Ad Code

 

 

Manual8 Ad Code

প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও পালিত হবে উরুস মোবারক। এই পবিত্র উরুস মোবারক উপলক্ষে আমার পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন যায়গায় থেকে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন যায়গায় থেকে হাজার হাজার মুরিদদের দল নেক আমলের জন্য ও দোয়া র জন্য হাজির হয়।প্রায়ত ইসলামী চিন্তাবিদ ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশ্ব বিখ্যাত পীর সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা হজরত মাওলানা অসিমুদ্দিন শাহ আল কাদেরী ও তার পুত্র সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা হজরত মাওলানা কুতুবুদ্দিন আক্তার আলী শাহ আল কাদেরী র মাজার জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলের সামিল হতে আসেন।

 

Manual4 Ad Code

 

এই পবিত্র উরুস মোবারক উপলক্ষে আয়োজিত মহাসমারোহে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়। এই পবিত্র উরুস মোবারক উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ভারতের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম ওলামারা। এই পবিত্র উরুস মোবারক এর বর্তমান পরিচালনা করেন কলকাতার পবিত্র খানকা শরীফের পীর সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা হজরত সাইফুদ্দিন শাহ আল কাদেরী ও খিদিরপুর খানকা শরীফের ছোট পীর সাহেব হজরত শাহ সুফি সালাউদ্দিন শাহ আল কাদেরী এবং খিদিরপুর খানকা শরীফের পীর সেজ সাহেব জাদা সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা গোলাম ইস্তারশিদ আল কাদেরী ও খিদিরপুর খানকা শরীফের ছোট পীর সাহেব হজরত মাওলানা সৈয়দ শাহ গোলাম মোস্তারশিদ আল কাদেরী।

 

Manual1 Ad Code

 

এই পবিত্র উরুস মোবারক উপলক্ষে আয়োজিত মহাসমারোহে বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহর শান্তি প্রিয় মানুষ এর দোয়া হয়। এবং এই উরুস মোবারক থেকে আগামী দিনে শাহ সুফি হজরত মাওলানা সৈয়দ মুর্শিদাবাদ আলী শাহ আল কাদেরী আল বাগদাদী ও সৈয়দ শাহ সুফি হজরত মাওলানা গোলাম ইস্তারশিদ আল কাদেরী আল বাগদাদী ও সৈয়দ শাহ সুফি আল্লামা হজরত মাওলানা রসিদ আলী শাহ আল কাদেরী আল বাগদাদী অর্থাৎ মেদিনীপুর শরিফের উরুস মোবারক উপলক্ষে যাওয়ার জন্য হেদায়েত দান করেন। পবিত্র শ্যামপুর শরিফের উরুস মোবারক পরিচালনা করেন শ্যামপুর শরিফের গ্রামবাসী বৃন্দ ও খিদিরপুর খানকা শরীফের মুরিদগণ।।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code