৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কলকাতায় ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ পথ নিরাপত্তা ২০২৫, শুরু হয়েছে

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৫, ০১:১৪ পূর্বাহ্ণ
কলকাতায় ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ পথ নিরাপত্তা ২০২৫, শুরু হয়েছে

Manual2 Ad Code

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম আজ পশ্চিম বাংলা পুলিশের অধীনে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র শুভ সূচনা করা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

এটি ২০২৫, জন্য আরাম্ভ করলো ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী রাহুল গোস্বামী আই পি এস।আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পুলিশ এর প্রধান কার্যালয় থেকে এর এর শুভ সূচনা করা হয়েছে। এই সময়ে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী রাহুল গোস্বামী আই পি এস উপস্থিত ছিলেন।

 

Manual2 Ad Code

সেই সঙ্গে তার অধীনে সমস্ত অফিসার ও ট্রাফিকের আধিকারিকরা হাজির ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা থেকে ডায়মন্ড হারবার হয়ে গঙ্গা সাগর মেলা পর্যন্ত ব্যাপক ভাবে ট্রাফিক জ্যাম হতে চলেছে।সেটা কে নিয়ন্ত্রন করতে ও জ্যাম জট এড়াতে এবং সাধারণ মানুষ যাতে যানযটের থেকে বাঁচতে পারেন তার জন্য এই পরিকল্পনা নিয়েছে।জানজট মুক্ত করতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী রাহুল গোস্বামী আই পি এস।

Manual4 Ad Code

সেই সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে আমতলা ট্রাফিক পুলিশ এর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে দুর্নীতি মুক্ত ও পথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদক মুক্ত জেলা এবং সন্ত্রাসী মুক্ত জেলা তৈরি বড় ভূমিকা পালন করতে চলেছে। এই কাজে তাকে সাহায্য করেছে তার অধীনে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকরা এবং এস ডি পি ও এবং সার্কেল চীফ অফিসার ও ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে সমস্ত থানার ওসি ও আই সি এবং ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা।।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code