২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেটে তারুণ্যের উৎসবে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ০৫:২১ অপরাহ্ণ
সিলেটে তারুণ্যের উৎসবে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :

Manual4 Ad Code

‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষ্যে সিলেটে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আন্তঃজেলা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য-সচিব মো. নূর হোসেনের নেতৃত্বে সোমবার ২০ জানুয়ারি আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে এ প্রতিযোগিতায় জেলার ১৩টি উপজেলা ও একটি সিটি কর্পোরেশনের অ্যাথলেটরা অংশগ্রহণ করবে।

 

এ প্রতিযোগিতায় নির্বাচিতদের নিয়ে গঠিত জেলা অ্যাথলেটিকস দল আগামী ২৪ জানুয়ারি বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জের অ্যাথলেটদের সাথে প্রতিদন্দ্বিতা করবে।

Manual8 Ad Code

 

 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারি বিপুল চন্দ্র তালুকদারের সঞ্চালনায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে বক্তারা সুন্দর ও সুস্থ জীবন গঠনে এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টিতে খেলাধুলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

 

Manual1 Ad Code

তাঁরা বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে একজন মানুষ ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও নেতৃত্বের গুণ অর্জন করে। অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মকে মাদকাসক্তি ও অবক্ষয়, মোবাইল ফোন আসক্তি থেকে মুক্ত থাকতে আরো বেশি খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন বক্তারা।

 

জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের অনুপ্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে ৫২ দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকবে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডীসহ দেশীয় সকল খেলাধূলা।

 

Manual5 Ad Code

প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার, পরিবেশ উন্নয়ন ও চারাগাছ রোপণ, শব্দ ধূষণ রোধ, স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন, জীব বৈচিত্র বিলুপ্তি রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি।

 

এছাড়াও চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক, কুইজ ও সংগীত প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিযোগিতা এবং বই পড়া, চারু ও কারুশিল্প মেলা, নাটক, সেমিনার ইত্যাদি আয়োজন করা হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code