১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশিসহ ১৩ পর্যটককে মাঝ-সমুদ্র থেকে উদ্ধার করল মালয়েশিয়ার বাহিনী

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩১, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিসহ ১৩ পর্যটককে মাঝ-সমুদ্র থেকে উদ্ধার করল মালয়েশিয়ার বাহিনী

Manual4 Ad Code

বাংলাদেশিসহ ১৩ পর্যটককে মাঝ-সমুদ্র থেকে উদ্ধার করল মালয়েশিয়ার বাহিনী

শেখ স্বপ্না শিমুঃদক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যের কুয়ালা বেসুত উপকূলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝ-সমুদ্রে আটকা পড়া বাংলাদেশিসহ ১৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি।

সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তেরেঙ্গানু রাজ্যের মেরিটাইম ডিরেক্টর ক্যাপ্টেন হামিলুদিন চে আওয়াং।

Manual6 Ad Code

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৯ মার্চ বিকেলে নিয়মিত টহল দেয়ার সময় ‘পারকাসা ৪৮’ নামক একটি টহল বোট পর্যটকবাহী বোটটিকে উত্তাল সমুদ্রে ভাসতে দেখে এগিয়ে যায়। এরপর কুয়ালা বেসুত মোহনা থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৩ নটিক্যাল মাইল দূরে পর্যটকদের সাহায্যের জন্য হাত নাড়তে দেখে মেরিটাইম সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

Manual5 Ad Code

উদ্ধার পর্যটকদের মধ্যে একজন মালয়েশীয় এবং ১২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, চারজন চীনের, তিনজন ফ্রান্সের, দুইজন যুক্তরাজ্যের এবং দুইজন সিঙ্গাপুরের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

Manual2 Ad Code

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাঝ-সমুদ্রে দুলতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে মেরিটাইম মালয়েশিয়ার সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সব যাত্রীকে তাদের টহল বোটে স্থানান্তর করেন এবং কোনো ধরনের আঘাত ছাড়াই নিরাপদে জেটি জাবাতান লাউত বেসুতে পৌঁছে দেন।

Manual2 Ad Code

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মেরিটাইম মালয়েশিয়া সকল বোট অপারেটরদের সমুদ্রযাত্রার আগে ইঞ্জিন এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামগুলোর যথাযথ মান নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code