১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদির হজ-উমরাহ মন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩১, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সৌদির হজ-উমরাহ মন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক

Manual8 Ad Code

সৌদির হজ-উমরাহ মন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক

শেখ স্বপ্না শিমুঃ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ ও বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের (কায়কোবাদ) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual6 Ad Code

সোমবার (৩০ মার্চ) সৌদির স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় মদিনার কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ বৈঠকে তারা হজ ও উমরাহ বিষয়ক সেবা ও সহযোগিতা জোরদারে ঐকমত্য পোষণ করেছে। এ বৈঠকের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য হজ ও উমরাহ সেবায় নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

সৌদি হজ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব অসাধারণ অগ্রগতি সাধন করেছে।এছাড়া হজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিকায়ন হয়েছে। এজন্য সৌদি সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ হতে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

Manual7 Ad Code

দুদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কে কথা স্মরণ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। এ দুদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন ধর্মীয় বন্ধনে আবদ্ধ।বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিদ্যমান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং হজ-উমরাহসহ ধর্মীয় ও পারস্পরিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ধর্মমন্ত্রী।

এর আগে বৈঠকে যোগদানের জন্য কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর নেতৃত্ব একটি প্রতিনিধি দল স্বাগত জানান।
এ বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী বাংলাদেশের হজ ও উমরাহ যাত্রীদের কল্যাণে একটি লিখিত প্রস্তাবনা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ হতে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীকে একটি সৌজন্য উপহার তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী। সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীও বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি, সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার (আইসিডি) ড. আল হাসান ইয়াহিয়া আল মানখারা, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আয়াতুল ইসলাম, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তৃতীয় উমরাহ ও ভিজিট ফোরামে যোগদানের জন্য ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরব অবস্থান করছেন।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code