২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

রোমাঞ্চকর জয়ে অ্যাতলেটিকোকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ।

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
রোমাঞ্চকর জয়ে অ্যাতলেটিকোকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ।

Manual8 Ad Code

রোমাঞ্চকর জয়ে অ্যাতলেটিকোকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ লা লিগায় রোববার (২২ মার্চ) রাতে মাদ্রিদ ডার্বি ম্যাচটি ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুয়ে ৩-২ গোলে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের ফলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে হারের দারুণ প্রতিশোধ নিল রিয়াল।
অ্যাতলেটিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেন ভিনিসিউস।

Manual5 Ad Code

মাদ্রিদ ডার্বিতে ম্যাচের শুরুতে ভালো খেললেও প্রথমে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। ৩৩তম মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় অ্যাতলেটিকো, গোলটি করেন আদেমোলা লুকম্যান।

Manual3 Ad Code

তবে বিরতির পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় রিয়াল। ৫২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান ভিনিসিউস জুনিয়র। এরপর মাত্র তিন মিনিট পর গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফেদেরিকো ভালভার্দে।

তবে লড়াই এখানেই শেষ হয়নি। ৬৪তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে গোল করে অ্যাতলেটিকোকে সমতায় ফেরান মোলিনা। এরপর আবারও জ্বলে ওঠেন ভিনিসিউস। ৭২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

Manual6 Ad Code

ম্যাচের শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ভালভের্দে। ফলে শেষ সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় রিয়ালকে। তবুও দারুণ রক্ষণ আর গোলরক্ষক লুনিনের ভালো পারফরম্যান্সে জয় নিশ্চিত করে রিয়াল।এই জয়ে ২৯ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে চারে অ্যাতলেটিকো।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code