২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

লেবাননের কাসমিয়া সেতু গুঁড়িয়ে দিলো ইসরাইল, মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা।

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
লেবাননের কাসমিয়া সেতু গুঁড়িয়ে দিলো ইসরাইল, মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা।

Manual5 Ad Code

লেবাননের কাসমিয়া সেতু গুঁড়িয়ে দিলো ইসরাইল, মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলকে দেশটির বাকি অংশের সথে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ কাসমিয়া সেতুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এর ফলে দেশটিতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।রোববার (২২ মার্চ) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের কাসমিয়া সেতুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। কাসমিয়া সেতুতে হামলার ফলে লেবাননের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

Manual6 Ad Code

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ লিতানি নদীর ওপর সব পারাপারের পথ এবং সীমান্তসংলগ্ন লেবাননের অভ্যন্তরে সব বাড়িঘর ধ্বংসের নির্দেশ দেয়ার পর কাসমিয়া সেতুতে হামলার ঘটনা ঘটে।

Manual4 Ad Code

সেতুতে হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তিনি বলেন, সেতুটিতে হামলা ছিল ‘দক্ষিণ লিতানি অঞ্চলকে লেবাননের বাকি অংশ থেকে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা’।

তিনি আরও বলেন, এসব হামলা ‘ইসরাইলি সীমান্তজুড়ে একটি বাফার জোন গড়ে তোলার সন্দেহজনক পরিকল্পনার অংশ, যা দখলদারিত্বের বাস্তবতা জোরদার করা এবং লেবাননের ভেতরে ইসরাইলি সম্প্রসারণের চক্রান্তের অংশ।

আল জাজিরা বলছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেতুতে হামলার প্রভাব লেবানন সরকারের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। লেবাননের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের সংযোগকারী এই সেতুগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছানো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

বর্তমানে লিতানি নদীর দক্ষিণ অংশে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক আটকা পড়ে আছেন। তাদের বেশিরভাগই বিভিন্ন স্কুল, হাসপাতাল ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। কিন্তু যাতায়াতের প্রধান পথগুলো ভেঙে পড়ায় তাদের কাছে পৌঁছানো লেবানন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code