৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

editor
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ণ
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

Manual6 Ad Code

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। তিনি বলেছেন, তিনি চেষ্টা করছেন যেন সিরিয়া কোনোভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে। জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে তার সরকার আশপাশের সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছে। খবর তুর্কি টুডের।

Manual5 Ad Code

গত শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দামেস্কের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে দেয়া বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা খুব সতর্কভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে সিরিয়া কোনো সংঘাতে না জড়ায়।’

Manual7 Ad Code

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে সিরিয়া নানা সংঘাতের কেন্দ্র ছিল, কিন্তু এখন দেশটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভালো অবস্থানে আছে। পাশাপাশি তিনি জানান, সিরিয়া আরব দেশগুলোর পাশে আছে।

একসময় আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার ময়দান ছিল সিরিয়া। তবে এখন পর্যন্ত দেশটি বড় আঞ্চলিক সংঘাত থেকে কিছুটা দূরে থাকতে পেরেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ইরান ইসরাইল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে সিরিয়ার আকাশ দিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র গেলেও ইসরাইল সেগুলো প্রতিহত করছে। গত শুক্রবার ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) সিরিয়ার একটি সেনা ক্যাম্পে হামলা চালায়। তাদের দাবি, দক্ষিণ সিরিয়ার সোয়েইদা প্রদেশে দ্রুজ জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার জবাব হিসেবে এই আঘাত করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

আইডিএফ বলেছে, তারা সিরিয়ার দ্রুজদের ক্ষতি হতে দেবে না এবং তাদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেবে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, ওই এলাকায় সরকারি বাহিনী ও স্থানীয় উপজাতিদের সঙ্গে দ্রুজ গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়েছে।

Manual6 Ad Code

সংঘর্ষ শুরু হয় মর্টার শেল পড়ার পর। পরে শহরের আবাসিক এলাকাতেও গোলাবর্ষণ হয়, ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত বছরের জুলাই মাসেও এই অঞ্চলে দ্রুজ যোদ্ধা ও সুন্নি বেদুইনদের মধ্যে সংঘর্ষে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code