৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ার এপিইউতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত।

editor
প্রকাশিত মার্চ ২০, ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার এপিইউতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত।

Manual5 Ad Code

মালয়েশিয়ার এপিইউতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে (এপিইউ) অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual5 Ad Code

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব হল রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসে দেশীয় আমেজ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ করা গেছে।

এপিইউ বাংলাদেশি স্টুডেন্ট সোসাইটির সভাপতি আদিবা চৌধুরী ইডেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা শাহরিয়ার হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা।

অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ম্যানেজার (ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট) মুহাম্মদ আলী, সহকারী ম্যানেজার সাদ নাসিম এবং সোসাইটির উপদেষ্টা ও লেকচারার ড. মারজেয়া জান্নাত মহুয়া। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে প্রবাসে শিক্ষার্থীদের এমন ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Manual3 Ad Code

আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, বিদেশের মাটিতে নিজেদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এই আয়োজন। এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রবাসী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

Manual1 Ad Code

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code