২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৮, ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ণ
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Manual8 Ad Code

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ স্বপ্না শিমুঃ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নারীর সমঅধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

Manual6 Ad Code

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন (CSW70)-এ বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

Manual2 Ad Code

বেইজিং ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনা এবং ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকের লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

Manual4 Ad Code

তিনি উল্লেখ করেন, পরিচয় বা আর্থ-সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার উন্মুক্ত হতে হবে, যাতে তারা নির্ভয়ে ও কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আইনি সুরক্ষা লাভ করতে পারে।পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানগুলোতে বাংলাদেশি নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

ড. রহমান আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের নারীদের উপর প্রভাব ফেলে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন ২০২৬ সালের ৯–১৯ মার্চ নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ, বৈষম্যমূলক আইনসমূহ বাতিলকরণ এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের উপর গুরুত্বারোপ করছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code