৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৮, ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ণ
ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

Manual7 Ad Code

ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

শেখ স্বপ্না শিমুঃ তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ পবিত্র ঈদুল ফিতরের আলাদা আলাদা তারিখ নিশ্চিত করেছে। দেশ দুটি ইসলামি মাসের শুরু নির্ধারণের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি চাঁদ দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Manual4 Ad Code

তুরস্ক ঘোষণা করেছে যে, তাদের দেশে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার তুরস্ক এবং অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়াল মাসের প্রথম চাঁদ দেখার সম্ভাবনার জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ওপর ভিত্তি করে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশে শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতর পালিত হবে। কারণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের আকাশ থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উভয় দেশেই বুধবার ছিল রমজান মাসের ২৮তম দিন। মূলত চাঁদ দেখার পূর্ব-নির্ধারিত হিসাব-নিকাশের মডেল বা অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালকুলেশন ব্যবহার করেই দেশ দুটিতে ঈদের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code